আমার এই সাইটটিতে আপনাদের স্বাগতম। এটা একটা ইসলামিক সাইট। টাইপিং সংশোধনে যোগাযোগ :- 01747031921.01612031921
Thursday, May 28, 2015
→পবিত্র শবে বরাত এর ফযিলত ←
শবে বরাত এর বিশ্লেষণ :- আরবী ১২মাসের অষ্টম মাস তথা শাবানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাতটি কোরানের ভাষায় "লাইলাতুল মুবারাকাহ"। আর হাদীসের ভাষায় অর্ধ শাবান রজনী, তাফসীরের ভাষায় মুক্তীর রজনী বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। আর আমাদের উপমহাদেশে যাকে শবে বরাত বলে আমরা পরিচিত যেটা ফারসি ভাষা থেকে উদ্ভুত। যা শব বা রাত ও বরাত বা পবিত্রতা, নাযাত, মুক্তী, ত্রান ইত্যাদি। অর্থাৎ পবিত্র মুক্তী ও পরিত্রানের রজনী। মুফাসসের গন এ রাতের ১২ টি নাম দিয়েছেন- পাপ মুক্তীর রজনী, বরকতের রজনী, বন্টনের রজনী, গুনাহের কাফফারা রাত, দোয়া কবুলের রাত, ফেরেশতা দের ঈদের রাত, প্রতিদানের রাত, সুপারিশের রাত,ক্ষমার রাত, সম্মানের রাত, পুন্যের পাল্লা ভারির রাত, দোযখ থেকে মুক্তীর রাত। আল্লামা কুরতবী তার গ্রন্থে বলেন এ রাতের ৪ টি নাম রয়েছে- ১. লাইলাতুল বরাত, ২. লাইলাতুল মুবারাকাহ, ৩. লাইলাতুস সাকী, ৪. লাইলাতুল ক্বাদ্রী। এছাড়া তাফসীরে রুহুল মায়ানীর ২৪ শ খন্ড ১৭৪ পৃ: উল্লেখ্য রয়েছে এ রাতে সারা বছরের বাজেট জীবিত মৃত দের তালীকা এবং হাজীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়। উক্ত সংখ্যা থেকে একজন বাড়েও না কমেও না। হযরত মুয়ায ইবনে জাবাল (রা:) হতে বর্ণিত তিনি বলেন নবী সা: বলেন মধ্য শাবানের রাত্রীতে মহান আল্লাহ রহমতের ভান্ডার নিয়ে তার সকল সৃষ্টির প্রতি এক বিশেষ ভূমিকায় আবিভূত হন, এবং এ রাত্রীতে মুশরীক এবং হিংসুক ব্যাক্তি ছাড়া সকলকে ক্ষমা করে দেন, হযরত আবু মুসা আল আশয়ারী (রা:) হতে বর্ণিত তিনি বলেন রাসুল [সা:] ইরশাদ করেছেন মহান আল্লাহ নিসফে শাবানের রাতে আবিভূত হন। সেই রাত্রীতে মুশরীক অথবা হিংসুক ছাড়া সকলকেই ক্ষমা করে দেন। এ হাদীস টি শবে বরাতের আরেকটি হাদীস মুবাশশার বিল জান্নাত হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রা:) হতে বর্ণিত তিনি বলেন নিসফে শাবান রাত তথা শবে বরাত যখন আগমন করে তখন আল্লাহ তায়ালা প্রথম আসমানে অবতরন করেন, অতঃপর তিনি তার বান্দাহদের ক্ষমা করে দেন। তবে যে ব্যাক্তি শিরক ও আপন ভাইয়ের সাথে হিংসা বিদ্বেশ করে তাকে ক্ষমা করেন না। হযরত আলী ইবনে আবী তালীব (রা:) হতে বর্ণিত তিনি বলেন রাসুল সাঃ বলেছেন যখন শাবান মাসের মধ্য রাত্রীর আগমন ঘটে তখন তোমরা সেই রাত্রে জাগ্রত থেকে আল্লাহর ইবাদত কর এবং দিনের বেলা রোজা রাখো। কেননা মহান আল্লাহ তায়ালা সেদিন সূর্যাস্তের পর প্রথম আকাশে অবতরণ করেন এবং বলেন কোন প্রার্থনাকারী কী আছো? আমি থাকে ক্ষমা করবো, কোন রিযিক তালাশকারী আছো কী? আমি আজ তাকে রিযিক দিবো। কোন বিপদগ্রস্ত আছো কী? আমি আজ থাকে বিপদ থেকে মুক্ত করে দিবো। এভাবে ভোর পর্যন্ত মহান আল্লাহর পক্ষ হতে ঘোষনা অভ্যাহত থাকে। তাই কোরান ও হাদীসের আলোকে শবে বরাতের আমল করা আমাদের একান্ত উচিত।
Saturday, May 16, 2015
→ লাইলাতুল মেরাজ বা মেরাজ রজনী প্রসঙ্গে ←
লাইলাতুল মেরাজ বা মেরাজের রজনী যা সচরাচর শবে মেরাজ নামে আখ্যায়িত। ইসলাম ধর্ম মতে যে রাতে মহানবী (সা:) অলৌকিক উপায়ে উর্ধ্বাকাশে আরোহন করেছিলেন এবং মহান আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করেন। মুসলমান রা এবাদত বন্দেগীর মধ্য দিয়ে এ রাতটি উদযাপন করে। ইসলামে মেরাজের গুরত্ব অপরিসীম, কেননা এই মেরাজের মাধ্যমেই ইসলাম ধর্মের পঞ্চম স্তম্বের দ্বীতিয় স্তম্ব অর্থাৎ নামাজ অত্যাবশ্যক বা নির্ধারণ করা হয় এবং দৈনিক পাচঁ ওয়াক্ত নামাজ এর বিধান নির্দিষ্ট করা হয়। ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী মোহাম্মদ (সা) এর নবুওয়াতের একাদ্বশ বৎসরের (৬২০ খ্রী) রজব মাসের ২৬ তারিখের দিবাগত নবী মোহাম্মদ (সা:) প্রথমে কাবা শরীফ থেকে জেরুজালেমে অবস্থিত বায়তুল মুকাদ্দাস বা মসজিদুল আকশায় গমন করেন এবং সেখানে তিনি নবীদের জামাতে ইমামতি করেন। অতঃপর তিনি বোরাকে (বিশেষ বাহন) আসীন হয়ে উর্ধ্বালোকে গমন করেন। উর্ধ্বাকাশে সিদরাতুল মুনতাহায় তিনি আল্লাহর সাক্ষাত লাভ করেন। এই সফরে হযরত জিবরাঈল (আ) তার সফর সঙ্গী ছিলেন।
কোর আন শরীফের সুরা বনী ইসরাঈল এর প্রথম আয়াতে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে " সুবহানাল্লাযী আস্রা বি আবদিহি লাইলাম মিনাল মাসজিদিল হারামী ইলাল মাসজিদিল আকসা"
বঙ্গানুবাদ : " পবিত্র সেই মহান সত্বা, যিনি তাহার এক বান্দাহ ( মোহাম্মদ সা:) কে মসজিদে হারাম ( কাবাঘর) হইতে মসজিদে আকশা ( বাইতুল মোকাদ্দাস) পর্যন্ত পরিভ্রমন করাইয়াছেন।
ইহার মধ্যে তাহাকে অসংখ্য নির্দেশনা বলী দেখানো হইয়াছে।
Subscribe to:
Posts (Atom)